ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকায় প্রায় ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩৫০ বোতল স্কাফ সিরাপ’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত পিকাআপ জব্দ।
আপডেট সময় :
২০২৬-০৬-২০ ১৭:২০:২৮
ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকায় প্রায় ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩৫০ বোতল স্কাফ সিরাপ’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত পিকাআপ জব্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকায় প্রায় ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩৫০ বোতল স্কাফ সিরাপ’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত পিকাআপ জব্দ। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল ১৯/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২৩.৫০ ঘটিকার ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানাধীন তোফাজ উদ্দিন ফিলিং স্টেশন এলাকা হতে বিপুল পরিমান মাদকসহ মাদক চক্রের ০২ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ১৯/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২৩.৫০ ঘটিকার ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানাধীন তোফাজ উদ্দিন ফিলিং স্টেশন এলাকায় ফরিদপুর টু ভাঙ্গাগামী মহাসড়কের উপর অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনপূর্বক সন্দেহজনক গাড়ী তল্লাশী করে। তল্লাশী করাকালীন একটি পিকাআপ হতে ৩৫০ (তিন শত পঁঞ্চাশ) বোতল স্কাফ সিরাপ, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০,৫০,০০০/-(দশ লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার টাকা), সহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম ১। মো: ছোট বাবু (৫১), পিতা- মো: মক্কেল মালিতা, সাং- ইসলাম বাজার, থানা- দর্শনা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা ও ২। মো: বাবু (৩১), পিতা- মৃত বাদশা, সাং- দামুড়হুদা, থানা- দামুরহুদা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা বলে জানা যায়। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত পিকাআপটি জব্দ করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, আটককৃত ব্যক্তিদ্বয় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে স্কাফ সিরাপসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহপূর্বক ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা’সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া।
এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স